হলদিয়া ইউনিয়নের জিআর ১২শ কেজি চাল পাচারকালে জনতা কর্তৃক আটক


প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৩, ৫:০১ অপরাহ্ণ / ৯৯৬
হলদিয়া ইউনিয়নের জিআর ১২শ কেজি চাল পাচারকালে জনতা কর্তৃক আটক

সাঘাটা প্রতিনিধি
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন স্থানীয় মন্টু মিয়ার বাড়ী থেকে সরকারি জিআরের ১২শ কেজি চাল দুটি অটো ভ্যানযোগে কালোবাজারের পাচারের সময় সাঘাটা-জুমারবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের ডাকবাংলা বাজার এলাকায় আটক করে স্থানীয়রা। সোমবার সন্ধ্যায় স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে সাঘাটা থানা পুলিশ এসে চালসহ অটো ভ্যান দুটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।
বিভিন্ন সুত্রে জানা যায়, সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের অতিদরিদ্র পরিবারের মাঝে বিতরণের জন্য সরকারিভাবে ৬ মে. টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়। সোমবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত চাল বিতরণের করা হয়। তবে এই চাল বিতরণের সময় ইউনিয়ন পরিষদের একটি চক্র পরিষদ সংলগ্ন স্থানীয় মন্টু মিয়ার বাড়ীতে সরকারি চালের বস্তা পরিবর্তন করে কালো বাজারের বিক্রি করতে দুটি অটোভ্যান যোগে সাঘাটা-জুমারবাড়ী সড়কের ডাকবাংলাবাজার এলাকায় নিয়ে আসলে স্থানীয়রা চাল ভর্তি ভ্যান দুটি আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে চালসহ ভ্যান দুটি জব্দ করে।
এব্যাপারে হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়্যারম্যান রাফিকুল ইসলামের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তদারকি অফিসারের উপস্থিতিতে চাল নিয়ম অনুযায়ী বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণের পর কিছু সুবিধাভোগী হয়তো বিক্রি করেছে যা পাইকারেরা ক্রয় করে অন্যত্র নিয়ে যাওরার সময় এই ঘটনা ঘটেছে।
জানতে হলদিয়া ইউনিয়নের সরকারি চাল বিতরণের সময় সরকারিভাবে নিযুক্ত তদারকি কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার সিদ্দিকুর রহমানের মোবাইল ফোনে বারবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
সাঘাটা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মামুনুর রশিদ জানান, ভ্যানসহ ২৮/২৯ বস্তা চাল উদ্ধারের ঘটনায় তিনি সরেজমিনে চালগুলো পরীক্ষা করেন। চাল সরকারি তবে বস্তা পরিবর্তন করা হয়েছে। চালগুলো থানায় জব্দ রয়েছে। সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: রাকিব হাসান জানান, দুটি অটো ভ্যানসহ ৩২ বস্তা চাল জদ্ব করা হয়েছে । এই বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ বিষয়ে সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: ইসহাক আলী জানান, বিষয়টি নিয়ে সোমবার রাত থেকেই তদন্ত চলছে, উপজেলা প্রকল্প বাস্তাবায়ন কর্মকর্তা ও উপজেলা ভারপ্রাপ্ত খাদ্য কর্মকর্তাসহ তিনি ঘটনাটি তদন্ত করেন। তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দাখিলসহ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।