সাঘাটায় স্কুল ছাত্রী সুমনা আক্তার থেকে পুরুষে রুপান্তরিত ! ডাক্তারী পরীক্ষায় লিঙ্গ পরিবর্তনের সত্যতা মেলেনি


প্রকাশের সময় : মে ৩০, ২০২৩, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ণ / ৪৬৮
সাঘাটায় স্কুল ছাত্রী সুমনা আক্তার থেকে পুরুষে রুপান্তরিত ! ডাক্তারী পরীক্ষায় লিঙ্গ পরিবর্তনের সত্যতা মেলেনি

আফতাব হোসেন:
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ঝাড়াবর্ষা গ্রামে দশম শ্রেণির ছাত্রী সুমনা আক্তার ( (১৬) পুরুষে রুপান্তরিত হওয়ার সত্যতা মেলেনি। ডাক্তারি পরীক্ষায় লিঙ্গ পরিবর্তনের ঘটনার প্রমান না মেলায় সুমনা আক্তার (মেয়ে) স্ব-অবস্থানে আছে বলে দাবি স্বজনদের।
জানা গেছে গত ২২ মে রাত থেকে হঠাৎ করে সুমনা আক্তার ছেলেতে রূপান্তরিত হতে শুরু করে। এই ঘটনাটি পরের দিন সুমনা তার দাদি ও স্বজনদের অবগত করে। পরে । এমন সংবাদ খবর এলাকায় ছরিয়ে পরলে উৎসুক মানুষের ঢল নামতে থাকে ওই বাড়িতে। গত ২৮ মে ভোরবেলা সুমনা আক্তার ফের মেয়েতে পরিণত হয়েছে বলে জানায় সুমনা ও তার পরিবারের লোকজন।
এই গ্রামের শহিদুল ইসলাম ও লাভলী বেগম দম্পতির সন্তান সুমনা আক্তার। তিন বোনের মধ্যে সুমনা বড়। তবে ছোটবেলা থেকে তার পুরুষের মতো স্বভাব ও আচরন ছিলো। এরই একপর্যায়ে ২২ মে রাতে প্রকৃতি খেয়ালে হঠাৎ করে সুমনার বুকের স্তন দেবে গিয়ে পুরুষের বুক ধারণ করে। একই সঙ্গে পুরুষাঙ্গও সৃষ্টি হয় তার। স্বজনেরা ঘটনাটি জানার পর প্রথমে ঘটনাটি গোপন রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু ২৭ মে ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হয় ছড়ি পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। সুমনা আক্তার মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তরিত হয়েছে— এমন খবর পেয়ে শত-শত উৎসুক মানুষ বিভিন্ন এলাকা থেকে সুমনাকে এক নজর দেখার জন্য ভিড় জমায়। সেই সঙ্গে গণমাধ্যম কর্মীদের কানে আসলে প্রকাশিত হয় বিভিন্ন গণমাধ্যম। এরপর এলাকাজুড়ে সৃষ্টি হয় তোলপাড়।
ঘটনাটির সত্যতা নিয়ে রোববার ২৮ মে সরেজমিনে গিয়ে সুমনা আক্তার ও পরিবারের লোকজন জানায়, আজ ভোরবেলা হঠাৎ করে সুমনা আক্তার আগের অবস্থায় ফিরেছে। অর্থাৎ মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তরিত এই সুমনা এখন মেয়েই। রোববার বিকেলে সুমনাকে সাঘাটার বোনারপাড়া বাজারস্থ ঈসা মেডিসিন কর্ণার নামের একটি চেম্বারে বসা মেডিসিন-গাইনী ও চর্ম বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ডা. মোছা. রাশেদা খাতুন প্রাথমিকভাবে সুমনা আক্তারকে নানাভাবে দেখার পর তিনি স্বজনদের বলেন, ছেলে নয় মেয়েই রয়েছে সুমনা আক্তার। এ ব্যাপারে সুমনা আক্তারের সাথে কথা হলে জানান, গত রোববার ভোরবেলা থেকে আমি আগের অবস্থায় ফিরেছি। অর্থাৎ আমি এখন মেয়েই আছি।
সুমনা আক্তার স্থানীয় ঝাড়াবর্ষা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র। লোকের ভীরে সুমনার বাবা শহিদুল ইসলাম বাড়ি থেকে গা ঢাকা দিয়েছেন।
এ বিষয়ে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আরিফুজ্জামান এর সাথে কথা হলে জানান ব্যাপারটি লোকমুখে শুনেছি। তবে হাসপাতালে কেউ পরামর্শ নিতে আসেনি।।