তারেক-জোবাইদার মামলা: সাক্ষ্য দিলেন তিন ব্যাংক কর্মকর্তা


প্রকাশের সময় : মে ২৯, ২০২৩, ৪:৫৩ অপরাহ্ণ / ৬৪
তারেক-জোবাইদার মামলা: সাক্ষ্য দিলেন তিন ব্যাংক কর্মকর্তা

সোমবার (২৯ মে) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে তারা সাক্ষ্য দেন।

সাক্ষ্য দিয়েছেন- আরব বাংলাদেশ ব্যাংক লিমিটেডের কারওয়ান বাজার শাখার তৎকালীন অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (বর্তমানে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট, প্রধান কার্যালয়) এস এম মুসা করিম, কারওয়ান বাজার শাখার তৎকালীন সিনিয়র অফিসার (বর্তমানে অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট, প্রধান কার্যালয়) ওবাইদুর রশিদ খান ও কারওয়ান বাজার শাখার তৎকালীন অফিসার (বর্তমানে এলিফ্যান্ট রোড শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার) এমরান আহাম্মেদ।

high-court

সাক্ষীদের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন বিচারক মো. আছাদুজ্জামান। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পিপি সাক্ষীদের জবানবন্দি দিতে সহযোগিতা করেন। তিনি জানান, তিনজন ব্যাংক কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছেন। আগামীকাল মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার এই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য রয়েছে।

২০০৮ সালে জোবাইদাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। অন্য দুজন হলেন তারেক রহমান ও জোবাইদার মা ইকবাল মান্দ বানু। এরপরই মামলা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন জোবাইদা। ওই বছরই এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এর বিরুদ্ধে আপিল করলে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখেন। এ-সংক্রান্ত চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল হাইকোর্ট জোবাইদার করা মামলা বাতিলের আবেদন খারিজ (রুল ডিসচার্জ) করে রায় দেন। একই সঙ্গে ওই মামলায় আট সপ্তাহের মধ্যে জোবাইদাকে বিচারিক আদালতে উপস্থিত হতে নির্দেশ দেওয়া হয়। উচ্চ আদালতের এই খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে ওই বছরই লিভ টু আপিল করেন জোবাইদা। গত বছর ১৩ এপ্রিল প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ লিভ টু আপিল খারিজ করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রাখেন। এর ফলে জোবাইদার বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলা চলতে আইনগত বাধা কেটে যায়। এই পরিস্থিতিতে নিম্ন আদালতে জোবাইদার মামলা আবার সচল হয়।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ঘোষিত আয়ের বাইরে ৪ কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬১ টাকার মালিক হওয়া এবং সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কাফরুল থানায় এই মামলা করে দুদক। মামলায় তারেক রহমান, জোবাইদা রহমান ও তার মা অর্থাৎ তারেক রহমানের শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুকে আসামি করা হয়। তারেক রহমানের শাশুড়িকে মামলা থেকে হাইকোর্ট অব্যাহতি দেন।